প্রথম প্রেমের পরের প্রেম

নিবিড় ক্যাম্পাস সব কিছুই চুপচাপ, একদম নিরব স্থানে স্থানে জোড়ায় জোড়ায় প্রেমাসনে বসে আছে কতিপয় স্থায়ী-অস্থায়ী জুটি কারো চোখে আগুন, কারওটা প্রানবন্ত বিশেষ করে মেয়েদের ওদের বহিঃপ্রকাশটা বেশ পরিষ্কার হয় তাই ওরা চাইলেও পরিমিত পাপ করতে পারেনা
শ্রাবস্তী নামের একটা মেয়ে বসে আছে চৌ-রাস্তার কাছাকাছি মাঠে সুবিধে একটাই এখান থেকে সব দেখা যায় যেদিকে ইচ্ছে সেইদিক দেখা যায় চোখে চশমা, তাই দৃষ্টি ধরা যায় না কেউ বিরক্তিও বোধ করেনা বসে বসে, চেয়ে-চেয়ে সকল প্রানের একনিষ্টভাবে খেলা যাওয়া পাগলামির শেষ পদস্থ খেলা দেখছে, অথবা উপভোগ করছে তা হয়তো ঠিক নয় কোন কোনটায় বেশ বিরক্ত হছে সেগুলো বোধ হয় ন্যাকামি

দুই সুর্যের মাঝে

আজ কন্ঠে তোমার শাপলা-শালুক
বসন্ত রোদ আর একটু বাড়ুক।

জোনাক জলুক পাতার ফাকে
কৃষ্ণচুড়ার বাকে বাকে।


বিষন্নতার রাতে অস্থিরতায় রজনী
তিথীভোরে; বাহুডোরে রাখবে তোরে কজনি।

বলনা তুই একবার বল
আয়না সখি ভালোবাসবি চল.

এক পৃথিবী রৌদ্র জলে আরেক ধরার মাঝে
দু'ই ধরনীর দুজন মোরা দুই সুর্যের মাঝে।

কোবরা সাপে দৈর্ঘ্য মেপে দেখবি অন্তস্থল
আয়রে সখি ভালোবাসবি চল।

কবর পারে পাটি পেতে
দুজন মিলে চড়ুই ভাতে।
শিকারী হবো 
জানাক মারবো
দেব গলায় ফাসি।

কিছুটা ভুত
আরেক রাজপুত
এমনি ভালোবাসি।

রহস্যময় ভালোবাসা

"ক" ভালোবাসে "খ" কে
"খ" মন দিয়েছে "গ" কে
"ঘ" আর "ঙ" নিজেদের মাঝে বিবাদমান
"ক" সম্ভবত এর কারন প্রধান।

"ঙ" এর আঙ্গটি গেছে খোয়া
"ক" এ মাঝ আঙ্গুল টানটান।
"গ" মিটি মিটি হাসে, জানে সব
"খ"এর চাপা অভিমান।
 

তারে সর্গে রেখে আসো।

সে শরতচন্দ্রের গল্প পড়েনা,
জীবনানন্দের কাব্য বোঝেনা।
কবিগুরুর গানও শোনেনা,
বৈশাখ,বসন্ত পালন করেনা।

আধুনিকতার দুরবীনে
   তার চোখ আছে সেটে;
সব কিছু মিথ্যে ঘোলাটে
   তার একান্ত দৃশ্যপটে।

এক মুঠো সুখ নাই তার
ডুবছো সাগর, খুজছো পাহার।

যদি এতই তাকে ভালোবাসো
যাও তারে সর্গে রেখে আসো।