চোখের সামনে কয়েকটা তারা জলে উঠেই আবার নিভে গেল। ঋতুর ঘুম ভাংলো সহসাই।তাকাবার চেষ্টা করতেই মনে পরলো অর্থব কাজ যা সে করে ফেলেছে। এখন আর উপায় কই।
ঋতু এখন একটা বেসরকারি হাসপাতালে বন্ধি। ঋতু খুনি। চক্ষু খুনি। নিয়তি খুনি। ঋতু খুন করেছে নিজের দৃষ্টি শক্তিকে। কাটা চামচ ঢুকিয়ে ধ্বংস করেছে নিজের দুটো চোখ। শুধুমাত্র সাইকোলজি ? তাহলে ঋতু সাইকো কেন ?
ঋতু একটু ওঠার চেষ্টা করতেই বুঝতে পারলো, অতিরিক্র ড্রাগে শরির ধরে গিয়েছে। এখন দুর্বলতা গিলে খাচ্ছে সক্রিয় কোষগুলোকে। নড়াচড়াটাই সর্বোচ্চ, উঠে বসা যুদ্ধের শামীল। পরাজয় নিশ্চিত।