ডকুমেন্টরি

চোখের সামনে কয়েকটা তারা জলে উঠেই আবার নিভে গেলঋতুর ঘুম ভাংলো সহসাইতাকাবার চেষ্টা করতেই মনে পরলো অর্থব কাজ যা সে করে ফেলেছেএখন আর উপায় কই
ঋতু এখন একটা বেসরকারি হাসপাতালে বন্ধিঋতু খুনিচক্ষু খুনিনিয়তি খুনিঋতু খুন করেছে নিজের দৃষ্টি শক্তিকেকাটা চামচ ঢুকিয়ে ধ্বংস করেছে নিজের দুটো চোখশুধুমাত্র সাইকোলজি ? তাহলে ঋতু সাইকো কেন ?
ঋতু একটু ওঠার চেষ্টা করতেই বুঝতে পারলো, অতিরিক্র ড্রাগে শরির ধরে গিয়েছেএখন দুর্বলতা গিলে খাচ্ছে সক্রিয় কোষগুলোকেনড়াচড়াটাই সর্বোচ্চ, উঠে বসা যুদ্ধের শামীলপরাজয় নিশ্চিত

তুমি হেরে যাবে, তুমি মরে যাবে।

তুমি ছিলে রাজকন্যা, তোমার যৌবন ছিল
তোমার খেলার সাথি ছিল, তোমার খেলনা ছিল
রাস্তার মোড়ে  অপেক্ষা করতো, তুমি জালনায় আসতে
একের পর এক ফোন আসতো, তুমি বেশ ধরতে
তোমার অনেক ছিল তাই সব চাইতে সেদিন
হাতছাড়া হবে সব, উধাও হবে একদিন
তুমি হেরে যাবে, সেদিন তুমি মরে যাবে
তুমি সেদিন মুল্যহীন,  পৃথিবীর কিছু অক্সিজেন বাচবে

মানুষ

মানুষ বড় ভয়াবহ, মানুষ তাই কাদে
মানুষ তাই হাসে, মানুষ অর্থ রেখে কাদে
মানুষ স্বর্গ চেনেনা, জানেনা, তবুও খোজে
মানুষ খুব ব্যস্ত, ব্যস্ত অনর্থক কাজে
মানুষ প্রদান হয় না , মানুষ প্রাপ্তিতেই হিসেব মিলেয়
মানুষ খেলাঘর বানায়, আর ভাঙ্গে শান্তি ভিক্ষেয়
 

এইবারই শেষবার

হেলায় হাড়ালে কতগাছি আবেগ, কত ঝড়ালে চোখের পানি মোট ?
কত নিকোটিন হলো ছাই , পুরলো আঙ্গুল আর রাঙলো ঠোট
তোমার বহুল পরিচিত গলির ভাজে ভাজে, 
আজও অচেনা ছেলে তোমার হাসি খোজে
কেন ওকে দিয়েছিলে সপ্নের নেমন্ত্রন
কেন এই অর্থব কলাপ , কেন করছো সাধন ?
এইবারই শেষবার আর একবার সুযোগ নাও
বাচার মত বাচতে চাও
এইবারই শেষবার আর একবার সুযোগ নাও
বাচার মত বাচতে দাও
 

ঘুমের ঘোরে তুমি

কখনোই তুমি পিপাশিত ছিলে না,
আদরের আর্বতেও পা রাখনি
গিলেছো একের পর এক জয়ের ধ্বনী
ঘুমিয়েছো, প্রভাবের পরম বালিশে, মাথা
সেদিন বর্জপাতে, তোমার সিন্দুক গেল গলে,
আর সম্পত্তি গেল ছাই হয়ে, ধুসর হয়ে
এখন তোমার দু'চোখ স্রোতে ভেসে যায়
বলনা এর স্বার্থ কোথায়
এখন তোমার ঐ ঠোট, আদর পেতে চায়
বলনা এর ধ্বংস কোথায়

প্রহরী তোমার কাব্য

প্রহরী তোমার কাব্য
অস্ত্র হাতে রক্তাত্ত্ব
আহত আমি উদাসক
আসমানে ছড়াই লাল পালক
চোক্ষে আমার কড়া আলোক
এই প্রহর আর পাখির মিনতী সপ্ন বানায়
নিভে যায় আলো, ধেয়ে আসা জলধারায়
বৃষ্টি হয়ে কাদবেনা আর বাষ্প সবই
হারালে শুন্যে; দেখা সপ্নে পাবি

আমি হচ্ছি নষ্ট কবি

বদলানো খুব সহজ আমি বদলে যাব না
ভুলে যেতে পারি, ভুলে যাওয়া ভুলে গেছি
স্রোতের বিপরীতে নৌকো চলে ছুটে ছুটে
কষ্টের হবে অসুখ, খাবে খুটে খুটে
নিকোটিনে কাটবে সময় একলা চাদ দেখে
অবলা গানগুলো নিজের মত বেজে
চোখ রাখি পানিতে,গলছি ঢলে ঢলে
চেয়েছি আয়নাতে, নিজের বাম দিকে
চোখের রন্ধে রন্ধে তোমার প্রতিছবি
ওখানেই টলছি আমি হচ্ছি নষ্ট কবি

নষ্ট গল্পে ,নষ্ট কবি

বানান ভুলের গল্প, আকাশে ঘন মেঘ
কবরের কালো আলো, বেদনাতুর আবেগ
মাঠ পেরুলেই সর্গ আমার,কাটা তারের বেড়া
অশ্ববেগে ছুটে চলা, চোখ পাপড়ি ছেড়া

নষ্ট জীবন, নষ্ট রাতেচাদ দেখে কষ্ট কুড়ায়
নষ্ট গল্পে ,নষ্ট কবি বেচে থাকার নেশায়

পলাতক

আমি নিজের মাঝেই নিষ্পাপ
আমি আগুনের উত্তাপ
আমি চুলের মাঝে হারাই পাহার
আমি শুনতে পাই শব্দ কাদাবার

মেঘে ঢাকা ওই মুখ দেখবো আচল ছিড়ে
হারাবো লোকালয়ে খুজবো ঘামের ভিড়ে
অসংখ্য প্রতিবাদের মুখে, চোখ যেন অভিনয়ে
বেচে আছে পালানোর তরে, নিজ পরিচয়ে

ভিতু ভালোবাসা

সপ্নের শেষটা দেখিনি, তাই ছবি আকিনি
গল্পের শেষটা জানিনা, তাই ভালোবাসিনা
ভালোবাসা চুপ করে
অধরা খুব ভোরে
মেলে দেয় সপ্ন ডানা
অবশেষে কানে কানে
বলে যায় গানে গানে
হারাতে নেই মানা

এসো ওড়না ফেলে, আজ বৃষ্টি নামাই
টুকরো ফোটায় শহর কাদাই
ঘুরবো দুজন চাদের আড়ালে
বৃষ্টিভয়ে দৃষ্টি লুকালে

বৃষ্টি আজ ঝেপে নামো

ওগো বৃষ্টি আজ ঝেপে নাম,
তার গায়ে হয়েছে গন্ধ
ব্যক্টেরিয়ার বাস
বিরক্ত সে রোজনালিশে
রেঙ্গেছে সে নেলপালিশে
আসন্ন ঝড়ের আভাস
কোথায় তোমার  ভিজিয়ে দেবার জলধারা,
কোথায় তোমার বরফ গলার অভিশাপ
কোথায় তোমায়  খুজে সপ্ন দিশেহারা
কোথায় তোমায় রেগে অসল চায়ের কাপ

হিন্স্র তোমায় দেখে সে ভেঙ্গেছে চেতন
স্মৃতি হাতড়ে মরে, হয়ে আবেগ প্রবন
খনিজ অপরাধে চলে তল্লাশী খুব তার
এখনি সময় তাই, আবার ফিরে আসার