সত্য কাহিনি অবলম্বনে



রাতুলের কপালে ঘাম গলছে। চোখ ফেটে স্রোত নামছে। কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছেনা। রাতুল আর পারলোনা, প্রচন্ড শব্দ করে  ভরা রাস্তায় কেদে উঠলো। রাতুলের বন্ধু রাতুলকে জড়িয়ে ধরে স্বাত্তনা দিল। যা হবার তা হয়ে গেছে কাদলেও কিছুই হবেনা। রাতুল শব্দ করে নাক মুছলো। তারপর বন্ধুকে বললো “ রিক্সা ঠিক কর, আমি সিমীনের বাসায় যাবো”
বন্ধু তাই করলো। রাতুলকে এখনো কাদছে। প্রচুর পরিমান। গলগল করে চোখ দিয়ে পানি পরছে। রিক্সা এগিয়ে যাচ্ছে। রাতুল বন্ধুর কোলে মাথা রেখে শব্দ করে কাদছে। বন্ধু মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।
এখন থেকে ঠিক ৫ মিনিট আগে, রাতুলের বন্ধু রাতুলকে ফোন দিয়ে বললো, সিমীন নাকি আন্তহত্যা করে মারা গিয়েছে। রাতুলের হাত থেকে ফোন পরে ভেঙ্গে গিয়েছে।রাতুলের মাথায় আকাশ কেপে উঠলো। আমার সিমীন, আমার সিমীন আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমায় ছেড়ে যাওয়ার অর্থটা কি....।।

সেন ও পার্থিব- মাইক্রো গল্প-৫

সেনের বান্ধবীর জন্মদিন। ওকে দাওয়াত করেছে। মারান্তক সেজেগুজে গিয়েছে। রাতও অনেক হলো। আজ আসবে না জানিয়ে দিয়েছে। "ও"বাসায় থাকবে। আমি ছাদে বসে জালনায় বসে ব্যস্ত শহরের ঢলে পরা দেখছি। প্রত্যেকটা ঘর আর কয়েকটা গল্প। একটা গল্প,চাই একটা শেষ। একটা শেষ আর কয়েকটা মৃত্যু। মৃত্যু খুব স্বাভাবিক একটা পক্রিয়া আসে প্রচন্ড অস্বাভাবিকতায়। সে কথা এখন থাক। সেনকে খুব মিস করছি। লোডশেডীং। মোবাইলে বেজে চলেছে,পরিচিত গানের কয়েকটা ভালোলাগা কলি।

সেন ও পার্থিব- মাইক্রো গল্প-৪

রাত বাজে ন'টা। হাতে কিছু কাচকলা কিনে নিয়ে বাজার থেকে ফিরছে। কারনে বা অকারনে সেনের কাচকলা খেতে ইচ্ছে হয়েছে। বিকেল বেলা উঠে হাতে ২০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে বাজারে পাঠিয়ে দিল। ২ কিলোমিটার হেটে গেলাম। হাতে কোনো টাকা নেই। বাপের বাড়িটা ছিল বলে,তাও মাথা গোজার ঠাই আছে। টিওশনিটা নেই। টাকাও নেই। সিগারেট ছাড়তে হবে। সেন যেন কোথা থেকে হাজার দুই টাকা এনেছে। ধার বা অন্য কিছু। ওটা দিয়ে এমাস চলতে হবে। কিভাবে ?ওর টাকা খরচ করতে ইচ্ছে করছে না। না করলে আবার জামাকাপর ঘুচিয়ে রহনা দেয়। কি আর করা। কিন্তু বুঝতে পারছি দুই হাজার টাকা কোথা থেকে আনার পর ওর মন বিশালাকার খারাপ। চুপসে গেছে। কিন্তু এটা কেন?এসব ছাইপাশ ভাবছি আর হাটছি। হঠাত সেনের ফোন।

সখি ভালোবাসা কারে কয়

মধ্যবৃত্তরা বরাবর একটা গ্যাড়াকলের ভিতরে থাকে। গ্যাড়াকলের উপরে থাকে বড়লোক আর নিচে থাকে গরীব। বড়লোক কিছু করলে সেটা বেশ ভালো একটা নিয়ম হয়ে দাঁড়ায় আর গরীবরা করলে ফালতু কাজ। দু'টোতে পাত্তা না দিলেই চলে, কিন্তু যেকোন কাজ মধ্যবৃত্তরা করুকনা কেন তা নিয়ে বিশালাকার সমালোচনার সৃষ্টি হয়। আর এই তত্ত্ব অনেক আগে থেকেই বাবার মুখে শুনে আসছে সীমা। তাই সীমা সর্বদা প্রেম নামক যন্ত্রনাময় শান্তির প্রলোভন থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছে। বেশ কয়েকবার ভালোবাসার ডাক পেলেও সাড়া দেওয়াটাকে একদম ব্যঞ্চনিয় মনে করেনি।

সেন ও পার্থিব- মাইক্রো গল্প-৩

কিছুদিন পরেই সেনের পরীক্ষা।সারাবছর ঘুরে কাটিয়েছে।বইয়ের সাথে বিচ্ছেদ, স্মরন করার মত আবেগী সেন না। দুদিন দেখছি বেশ স্মৃতি হাতড়ানোর মত করে বই পড়ছে। পাশের নেশায় কড়া মাতলামি। কিন্তু এত পড়া ক'দিনে কিভাবে শেষ হবে? শান্তিনিকেতনের ওই লোকটাও বোধহয় পারতেন না। সেন বান্ধবীদের দেখাদেখি সাব্জেক্ট টিচারকে ফোন দিয়ে পটিয়ে স্বার্থ উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। আমি পাশে বসে স্যারের সাথে ওর ফোন আলাপ শুনছি। মেয়েরা বেশ ছলনাময়ী। কেমন ইনিয়ে বিনিয়ে কথা বলছে। হাদিসে বর্নীত, মহানবী বলছে মহিলাদের উদ্দেশ্যে" আমি দেখেছি জাহান্নামে অধিকাংশই নারী। কারন তোমরা ছলনাময়ী।

সেন ও পার্থিব- মাইক্রো গল্প-২

ধর্ষিত হবার পর চুপচাপ শিহরনে রাত নিশ্চুপ। হৃদযন্ত্রের সাথে জেদ ধরে ঘড়ির কাটা হাপাচ্ছে।কম্পিত কোলাহলের শিরশিরে আদরে আমিও গলছি। রাত পাখিদের এক ছটাক র‌্যালি দেখা গেল। গোলক ধুমকেতুও হতে পারে। দূরে স্থির কিছু তারা,যেন স্কুলবাসের অপেক্ষায়......।
গলা ফাটিয়ে কেশে উঠলো কল বেল >>>>>>

টিকটিকি ততক্ষনাত ঘাড় ঘুড়িয়ে দৃষ্টি কটাক্ষন করলো। অভিশাপ বর্ষন। ভয়ও পেয়েছে বটে।

লাল শাড়ি আর জিনস প্যান্ট

ভীষন শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল। ঠিক কি কারনে শব্দটা হলো বোঝা যাচ্ছে না। বাম দিকের দেয়ালে টিকটিকিটা ঠিক সেভাবেই তাকিয়ে আছে, একই স্থানে, যেখানে কাল রাতেও ছিল। টিকটিকিটা কথা বলার চেষ্টা করছি কাল রাতে । কি যে বলার চেষ্টা করছে,অনেক ভেবেও বের করা হয়নি। ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পরেছি। যদিও কাল রাতে টিকটিকিটাকে দেখে আর মশারী টানিয়ে ঘুমালাম না। কেন যেন মনে হল, মশারী টানালে ওর বেশ অভীমান হবে। আর ওর অভীমানের পাত্তা দিতে গিয়ে কাল রাতে মশার সাথে বড়সড় যুদ্ধ করতে হয়েছে। আড়মোড় ভেঙ্গে ঘুম থেকে উঠলাম। বেড শিটে তাকিয়ে দেখি,বেশ কয়েকটা মরা মশা পরে আছে। আমি একবার টিকটিকির দিকে তাকালাম। ওগুলো আর ফেললাম না। এসে হয়তো মশাগুলোকে আর খুজে পাওয়া যাবেনা।

সেন ও পার্থিব- মাইক্রো গল্প-১

জরুড়ি মিটিং-এ- ১১ টা বেজে গেছে। সেন নিশ্চইনা খেয়ে অপেক্ষা করছে। দেখি সেন কে একটা ফোন দিয়ে বলে দেই >>>>>
আমিঃ সেন, তুমি কি আমার অপেক্ষা করছো ?
সেনঃ না, পাশের বাসার ছেলেটা কখন আমার দিকে তাকিয়ে হাসবে সেই অপেক্ষা করছি।
আমিঃ সেন, খাবার নিয়ে বসে আছ ?A
সেনঃ না, এলাকার বখাটে গুলোর খাবার হয়ে বসে আছি !!!
আমিঃ সেন, কি রান্না করেছো ?
সেনঃ বিষ,বিষ,বিষ !!!!
আমিঃ ও আচ্ছা। সেন তুমি খেয়ে ঘুমিয়ে পর। আমার আসতে দেরি হবে।

সেন ও পার্থিব- মাইক্রো গল্প-সুচনা

কল্পনা আর বাস্তবের মিল কোথায়। হারিয়ে আবার শুরু করায়। এখানেই তো। আমি হারাই, পাই,খুজি,ফেলি,নাচাই,কাদাই,হাসাই। সব কিছুই এই একক কল্পনায়।
আমি বলছি সেনের কথা। ওর নাম সেন। শুধু সেন। আমার সেন।
সেন আমার কখনো ত্যাদর,শান্ত,মশ্রিন, কখনো বা বিলাসি, কখনো পায়রা,মালঞ্চ,
জেদী কিংবা ভিতু, অহংকারি,রোমান্টিক, দর্জাল , পাশাপাশি করুন, এবং অবশ্যই যুদ্ধে বিশ্বাসি।আমি সেনের একনিষ্ট ভক্ত, শ্রোতা, দর্শক, কামনাকারি, সাহায্যকারি এবং ধ্বংসকারি।
সেন আমার ভালবাসা। আবার আমার চামড়া। সেন কোরবানি আবার কুড়িয়ে পাওয়া টাকা।


এখনো সময় অনেক বাকি

ঢাকা শহরে থাকা মানে কদিন পর পর বাসা চেঞ্জ করা। সম্প্রতি এই বাসাটাতে এসেছি। এই ৫ মাস। এটা চেঞ্জের কথা উঠতেই আমি বাসায় এক চান্স ঝগড়া বাধালাম । এই বাসার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপন করলাম। এটা সেরা বাসা, দক্ষিন দিক খোলা। ছাদে যাওয়া যায়, স্কুল কাছে,কোচিং কাছে, সংরক্ষিত এলাকা।
ভেবেছিলাম কেউ শুনবে না। কিন্তু কেন যেন এবার বাসা চেঞ্জ করা হলনা। এই বাসা চেঞ্জ করলে আমার অবস্থা শোচনিয় হয়ে যেত। কারন এই সেই বাসা। যেখানে সৃষ্টি হয়েছে আমার পৃথিবীতে সম্পুর্ন একটা নতুন শহর। এই বাসাতে আসতেই আমার জীবনে এসেছে প্রেম। প্রপোজ অনেক পেয়েছি। কাউকে মন দিতে ইচ্ছে হয়নি। কিন্তু এবার দিয়ে দিলাম। সে আমার সামনের বাসায় থাকে। বন্ধুদের সবসময় বকা দিয়েছি যে, ছেলেরা খুব খারাপ, অল্প বয়সে প্রেম করিস না ওরা য়ামাকে মজা করে বলতো আচ্ছা তোর বাবা-মা তোর নাম প্রেমা কেন রেখেছে? প্রেমকে না বলার জন্য?

প্রথম প্রেমের পরের প্রেম

নিবিড় ক্যাম্পাস সব কিছুই চুপচাপ, একদম নিরব স্থানে স্থানে জোড়ায় জোড়ায় প্রেমাসনে বসে আছে কতিপয় স্থায়ী-অস্থায়ী জুটি কারো চোখে আগুন, কারওটা প্রানবন্ত বিশেষ করে মেয়েদের ওদের বহিঃপ্রকাশটা বেশ পরিষ্কার হয় তাই ওরা চাইলেও পরিমিত পাপ করতে পারেনা
শ্রাবস্তী নামের একটা মেয়ে বসে আছে চৌ-রাস্তার কাছাকাছি মাঠে সুবিধে একটাই এখান থেকে সব দেখা যায় যেদিকে ইচ্ছে সেইদিক দেখা যায় চোখে চশমা, তাই দৃষ্টি ধরা যায় না কেউ বিরক্তিও বোধ করেনা বসে বসে, চেয়ে-চেয়ে সকল প্রানের একনিষ্টভাবে খেলা যাওয়া পাগলামির শেষ পদস্থ খেলা দেখছে, অথবা উপভোগ করছে তা হয়তো ঠিক নয় কোন কোনটায় বেশ বিরক্ত হছে সেগুলো বোধ হয় ন্যাকামি

দুই সুর্যের মাঝে

আজ কন্ঠে তোমার শাপলা-শালুক
বসন্ত রোদ আর একটু বাড়ুক।

জোনাক জলুক পাতার ফাকে
কৃষ্ণচুড়ার বাকে বাকে।


বিষন্নতার রাতে অস্থিরতায় রজনী
তিথীভোরে; বাহুডোরে রাখবে তোরে কজনি।

বলনা তুই একবার বল
আয়না সখি ভালোবাসবি চল.

এক পৃথিবী রৌদ্র জলে আরেক ধরার মাঝে
দু'ই ধরনীর দুজন মোরা দুই সুর্যের মাঝে।

কোবরা সাপে দৈর্ঘ্য মেপে দেখবি অন্তস্থল
আয়রে সখি ভালোবাসবি চল।

কবর পারে পাটি পেতে
দুজন মিলে চড়ুই ভাতে।
শিকারী হবো 
জানাক মারবো
দেব গলায় ফাসি।

কিছুটা ভুত
আরেক রাজপুত
এমনি ভালোবাসি।

রহস্যময় ভালোবাসা

"ক" ভালোবাসে "খ" কে
"খ" মন দিয়েছে "গ" কে
"ঘ" আর "ঙ" নিজেদের মাঝে বিবাদমান
"ক" সম্ভবত এর কারন প্রধান।

"ঙ" এর আঙ্গটি গেছে খোয়া
"ক" এ মাঝ আঙ্গুল টানটান।
"গ" মিটি মিটি হাসে, জানে সব
"খ"এর চাপা অভিমান।
 

তারে সর্গে রেখে আসো।

সে শরতচন্দ্রের গল্প পড়েনা,
জীবনানন্দের কাব্য বোঝেনা।
কবিগুরুর গানও শোনেনা,
বৈশাখ,বসন্ত পালন করেনা।

আধুনিকতার দুরবীনে
   তার চোখ আছে সেটে;
সব কিছু মিথ্যে ঘোলাটে
   তার একান্ত দৃশ্যপটে।

এক মুঠো সুখ নাই তার
ডুবছো সাগর, খুজছো পাহার।

যদি এতই তাকে ভালোবাসো
যাও তারে সর্গে রেখে আসো।

ডকুমেন্টরি

চোখের সামনে কয়েকটা তারা জলে উঠেই আবার নিভে গেলঋতুর ঘুম ভাংলো সহসাইতাকাবার চেষ্টা করতেই মনে পরলো অর্থব কাজ যা সে করে ফেলেছেএখন আর উপায় কই
ঋতু এখন একটা বেসরকারি হাসপাতালে বন্ধিঋতু খুনিচক্ষু খুনিনিয়তি খুনিঋতু খুন করেছে নিজের দৃষ্টি শক্তিকেকাটা চামচ ঢুকিয়ে ধ্বংস করেছে নিজের দুটো চোখশুধুমাত্র সাইকোলজি ? তাহলে ঋতু সাইকো কেন ?
ঋতু একটু ওঠার চেষ্টা করতেই বুঝতে পারলো, অতিরিক্র ড্রাগে শরির ধরে গিয়েছেএখন দুর্বলতা গিলে খাচ্ছে সক্রিয় কোষগুলোকেনড়াচড়াটাই সর্বোচ্চ, উঠে বসা যুদ্ধের শামীলপরাজয় নিশ্চিত

তুমি হেরে যাবে, তুমি মরে যাবে।

তুমি ছিলে রাজকন্যা, তোমার যৌবন ছিল
তোমার খেলার সাথি ছিল, তোমার খেলনা ছিল
রাস্তার মোড়ে  অপেক্ষা করতো, তুমি জালনায় আসতে
একের পর এক ফোন আসতো, তুমি বেশ ধরতে
তোমার অনেক ছিল তাই সব চাইতে সেদিন
হাতছাড়া হবে সব, উধাও হবে একদিন
তুমি হেরে যাবে, সেদিন তুমি মরে যাবে
তুমি সেদিন মুল্যহীন,  পৃথিবীর কিছু অক্সিজেন বাচবে

মানুষ

মানুষ বড় ভয়াবহ, মানুষ তাই কাদে
মানুষ তাই হাসে, মানুষ অর্থ রেখে কাদে
মানুষ স্বর্গ চেনেনা, জানেনা, তবুও খোজে
মানুষ খুব ব্যস্ত, ব্যস্ত অনর্থক কাজে
মানুষ প্রদান হয় না , মানুষ প্রাপ্তিতেই হিসেব মিলেয়
মানুষ খেলাঘর বানায়, আর ভাঙ্গে শান্তি ভিক্ষেয়
 

এইবারই শেষবার

হেলায় হাড়ালে কতগাছি আবেগ, কত ঝড়ালে চোখের পানি মোট ?
কত নিকোটিন হলো ছাই , পুরলো আঙ্গুল আর রাঙলো ঠোট
তোমার বহুল পরিচিত গলির ভাজে ভাজে, 
আজও অচেনা ছেলে তোমার হাসি খোজে
কেন ওকে দিয়েছিলে সপ্নের নেমন্ত্রন
কেন এই অর্থব কলাপ , কেন করছো সাধন ?
এইবারই শেষবার আর একবার সুযোগ নাও
বাচার মত বাচতে চাও
এইবারই শেষবার আর একবার সুযোগ নাও
বাচার মত বাচতে দাও
 

ঘুমের ঘোরে তুমি

কখনোই তুমি পিপাশিত ছিলে না,
আদরের আর্বতেও পা রাখনি
গিলেছো একের পর এক জয়ের ধ্বনী
ঘুমিয়েছো, প্রভাবের পরম বালিশে, মাথা
সেদিন বর্জপাতে, তোমার সিন্দুক গেল গলে,
আর সম্পত্তি গেল ছাই হয়ে, ধুসর হয়ে
এখন তোমার দু'চোখ স্রোতে ভেসে যায়
বলনা এর স্বার্থ কোথায়
এখন তোমার ঐ ঠোট, আদর পেতে চায়
বলনা এর ধ্বংস কোথায়

প্রহরী তোমার কাব্য

প্রহরী তোমার কাব্য
অস্ত্র হাতে রক্তাত্ত্ব
আহত আমি উদাসক
আসমানে ছড়াই লাল পালক
চোক্ষে আমার কড়া আলোক
এই প্রহর আর পাখির মিনতী সপ্ন বানায়
নিভে যায় আলো, ধেয়ে আসা জলধারায়
বৃষ্টি হয়ে কাদবেনা আর বাষ্প সবই
হারালে শুন্যে; দেখা সপ্নে পাবি

আমি হচ্ছি নষ্ট কবি

বদলানো খুব সহজ আমি বদলে যাব না
ভুলে যেতে পারি, ভুলে যাওয়া ভুলে গেছি
স্রোতের বিপরীতে নৌকো চলে ছুটে ছুটে
কষ্টের হবে অসুখ, খাবে খুটে খুটে
নিকোটিনে কাটবে সময় একলা চাদ দেখে
অবলা গানগুলো নিজের মত বেজে
চোখ রাখি পানিতে,গলছি ঢলে ঢলে
চেয়েছি আয়নাতে, নিজের বাম দিকে
চোখের রন্ধে রন্ধে তোমার প্রতিছবি
ওখানেই টলছি আমি হচ্ছি নষ্ট কবি

নষ্ট গল্পে ,নষ্ট কবি

বানান ভুলের গল্প, আকাশে ঘন মেঘ
কবরের কালো আলো, বেদনাতুর আবেগ
মাঠ পেরুলেই সর্গ আমার,কাটা তারের বেড়া
অশ্ববেগে ছুটে চলা, চোখ পাপড়ি ছেড়া

নষ্ট জীবন, নষ্ট রাতেচাদ দেখে কষ্ট কুড়ায়
নষ্ট গল্পে ,নষ্ট কবি বেচে থাকার নেশায়

পলাতক

আমি নিজের মাঝেই নিষ্পাপ
আমি আগুনের উত্তাপ
আমি চুলের মাঝে হারাই পাহার
আমি শুনতে পাই শব্দ কাদাবার

মেঘে ঢাকা ওই মুখ দেখবো আচল ছিড়ে
হারাবো লোকালয়ে খুজবো ঘামের ভিড়ে
অসংখ্য প্রতিবাদের মুখে, চোখ যেন অভিনয়ে
বেচে আছে পালানোর তরে, নিজ পরিচয়ে

ভিতু ভালোবাসা

সপ্নের শেষটা দেখিনি, তাই ছবি আকিনি
গল্পের শেষটা জানিনা, তাই ভালোবাসিনা
ভালোবাসা চুপ করে
অধরা খুব ভোরে
মেলে দেয় সপ্ন ডানা
অবশেষে কানে কানে
বলে যায় গানে গানে
হারাতে নেই মানা

এসো ওড়না ফেলে, আজ বৃষ্টি নামাই
টুকরো ফোটায় শহর কাদাই
ঘুরবো দুজন চাদের আড়ালে
বৃষ্টিভয়ে দৃষ্টি লুকালে