রাতুলের কপালে ঘাম গলছে। চোখ ফেটে স্রোত নামছে। কিছুতেই
ঠেকানো যাচ্ছেনা। রাতুল আর পারলোনা, প্রচন্ড শব্দ করে ভরা রাস্তায় কেদে উঠলো। রাতুলের বন্ধু রাতুলকে জড়িয়ে
ধরে স্বাত্তনা দিল। যা হবার তা হয়ে গেছে কাদলেও কিছুই হবেনা। রাতুল শব্দ করে নাক মুছলো।
তারপর বন্ধুকে বললো “ রিক্সা ঠিক কর, আমি সিমীনের বাসায় যাবো”
বন্ধু তাই করলো। রাতুলকে এখনো কাদছে। প্রচুর পরিমান। গলগল
করে চোখ দিয়ে পানি পরছে। রিক্সা এগিয়ে যাচ্ছে। রাতুল বন্ধুর কোলে মাথা রেখে শব্দ করে
কাদছে। বন্ধু মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।
এখন থেকে ঠিক ৫ মিনিট আগে, রাতুলের বন্ধু রাতুলকে ফোন
দিয়ে বললো, সিমীন নাকি আন্তহত্যা করে মারা গিয়েছে। রাতুলের হাত থেকে ফোন পরে ভেঙ্গে
গিয়েছে।রাতুলের মাথায় আকাশ কেপে উঠলো। আমার সিমীন, আমার সিমীন আমি তোমাকে ভালোবাসি।
আমায় ছেড়ে যাওয়ার অর্থটা কি....।।