ধর্ষিত হবার পর চুপচাপ শিহরনে রাত নিশ্চুপ। হৃদযন্ত্রের সাথে জেদ ধরে ঘড়ির কাটা হাপাচ্ছে।কম্পিত কোলাহলের শিরশিরে আদরে আমিও গলছি। রাত পাখিদের এক ছটাক র্যালি দেখা গেল। গোলক ধুমকেতুও হতে পারে। দূরে স্থির কিছু তারা,যেন স্কুলবাসের অপেক্ষায়......।
গলা ফাটিয়ে কেশে উঠলো কল বেল >>>>>>
টিকটিকি ততক্ষনাত ঘাড় ঘুড়িয়ে দৃষ্টি কটাক্ষন করলো। অভিশাপ বর্ষন। ভয়ও পেয়েছে বটে।
দরজা খুলেই দেখি সেন। কাপতে কাপতে ঘরে প্রবেশ করলো। সরাসরি আমার রুমে। আমার চাদরটা ওর গায়ে বসিয়ে দিলাম। আমি কপি নিয়ে ফিরতেই দেখই সে শুয়ে ঘুমকাতুরে ভাবে মাতাল। কফিটা খেল। আমি ওর বুকের উপর থেকে চাদর সরালাম, ওর গলার কাল্পনিক ঘামে শৌখিন মুখ ডুবিয়ে দিলাম।
আমিঃ সেন, তোমার গা থেকে পুরুষ মানুষের গন্ধ আসছে কেন ?
সেনঃ কই নাতো !!!
আমিঃ সত্যি বল, সেন!
সেনঃ আমি মিথ্যে বলিনা, তাছাড়া পৃথিবিতে মিথ্যে বলে কিছু নেই!!!
আমিঃ যেমন
সেনঃ যেটা তোমার কাছে মিথ্যা সেটা আমার কাছে বা অন্যকারও সত্যি। যেমন, ধর্ম তোমারটা তোমার কাছেই সত্যি। অন্যেরটা তোমার কাছে মিথ্যে।যেমন, একটা বেশ্যা সত্যি সেদিন সর্পিত হয়নি। এটা তার কাছে সত্যি। সবার কাছে মিথ্য। একটা ছেলে রাস্তার মাস্তান। সে একটা মেয়েকে প্রচন্ড ভালোবাসে। সত্য। মেয়েটার কাছে মিথ্যে।
আমিঃ তো ?
সেনঃ দুনিয়া তোমার একার না । সত্য মিথ্যার ব্যাখা নিশ্চয়ই তুমি একা দিতে পারবেনা। একটা পরিসংক্ষ্যান দরকার হবে।
আমিঃ আমার সাথে সম্পর্কিত যেকোন কিছুর ব্যাখ্যা আমি দিতে পারবো।
সেনঃ সেক্ষেত্রে তুমি সার্থপর। সেন কোন সার্থপরের সাথে শুয়ে থাকবে না।
জালনা দিয়ে দেখছি। সেন চলে যাচ্ছে। কিছুদুর গিয়ে ধ্যান আসতেই চাদরটাও ফেলে দিল। আমার চাদর। সার্থপরের চাদর। ইচ্ছে করলে ডাক দিতে পারতাম। যেতে না দিতেও পারতাম। করিনি!!!! কাজটা যে সার্থপরের মত হয়ে যায়।
No comments:
Post a Comment